ট্রেডিং সাইকোলজি, শৃঙ্খলা এবং নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা প্রসঙ্গে হুসেইন আলমাত্রুক
আপনি কেমন অনুভব করছেন, তা কি আপনার ট্রেডিংয়ে প্রভাব ফেলতে পারে? Exness টিম প্রো ট্রেডার হুসেইন আলমাত্রুকের কাছে এই প্রশ্নের উত্তরটি তার ট্রেডিং রুটিনেরই একটি অংশ। মার্কেটে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, তিনি প্রথমে নিজের মানসিক অবস্থা বিবেচনা করেন। আগের দিনের কোনো রাগ বা হতাশা কাজ করলে, তিনি তার নিয়মিত লন্ডন সেশনটি পুরোপুরি এড়িয়েও যেতে পারেন।
ট্রেডিং ক্যারিয়ারের শুরুতে হুসেইন ছিলেন বেশ অগোছালো; তিনি সারাক্ষণ মার্কেট দেখতেন এবং সুযোগের পেছনে ছুটতেন। এখন তিনি প্রস্তুতি, ঝুঁকি পরিচালনা, প্রযুক্তি এবং আত্মসচেতনতার উপর ভিত্তি করে আরও পরিমিত একটি রুটিন গড়ে তুলেছেন। বর্তমানে হুসেইন পরিবার, ব্যবসা, লেখালেখি, পড়া এবং শারীরিক কার্যকলাপের সাথে ট্রেডিংয়ের ভারসাম্য বজায় রেখে গোল্ড ও US অয়েল ট্রেডিংয়ের উপর মনোযোগ দিচ্ছেন।
এই সাক্ষাৎকারে হুসেইন আলোচনা করেছেন কীভাবে মনস্তত্ত্ব তার সিদ্ধান্তগুলিকে প্রভাবিত করে, কেন লোকসান একটি সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়ার অংশ হতে পারে, তার কাজের ধারায় AI কীভাবে জায়গা করে নিয়েছে এবং ব্রোকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে কার্যকরীকরণ ও সামগ্রিক ট্রেডিংয়ের শর্তাবলী কেন গুরুত্বপূর্ণ।
আপনার ট্রেড করার রুটিনটা কেমন?
ঘুম থেকে উঠে আমি সাধারণত আগে আমার ফোন দেখি: ইমেল, মেসেজ এবং গোল্ড ও US অয়েলের দৈনিক ক্যান্ডেল। বর্তমানে আমি মূলত এই দুটি ইন্স্ট্রুমেন্টেই ট্রেড করি।
কিন্তু সেদিন আমি আদৌ ট্রেড করব কি না তা ভাবার আগে অন্য একটি বিষয় যাচাই করি: নিজেকে। আমি নিজেকে প্রশ্ন করি যে মানসিকভাবে আমি ট্রেড করার জন্য প্রস্তুত কি না। আমি যদি রেগে থাকি বা আগের দিনের কোনো বিষয় মনের ভেতর বয়ে বেড়াই, তাহলে আমি লন্ডন সেশনটি পুরোপুরি এড়িয়েযেতে পারি, কারণ আমি নিজেকে ভালোভাবেই চিনি। আমি জানি যে আমি আগ্রাসী হয়ে উঠতে পারি।
পড়াও আমার সকালের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমি সাধারণত 30 মিনিট থেকে এক ঘণ্টা ব্যবসা, আবেগ বা ক্রিটিকাল থিংকিং নিয়ে পড়ি। এটি অর্থের চিন্তা এবং সবকিছু নিখুঁত হতেই হবে এমন ধারণা থেকে আমার মনকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।
আর অবশ্যই, এর সাথে কফি তো আছেই। আমি একজন সার্টিফায়েড বারিস্তা, তাই আমি যেখানেই থাকি না কেন, কফি আমার রুটিনের অংশ। এমনকি ভ্রমণের সময়েও আমি আমার গ্রাইন্ডার, ফিল্টার, কফি বিন আর স্কেল সাথে নিয়ে যাই, যাতে নিজের কফি নিজেই তৈরি করে নিতে পারি।
শুরুর দিকের তুলনায় আপনার রুটিন কীভাবে বদলেছে?
পুরোপুরি বদলে গেছে। নতুন অবস্থায় কোনো ট্রেড খোলা থাকলে আমি ঘুমাতে পারতাম না। আমার মনে আছে, ভবিষ্যৎ পণ্যের মূল্য যখন শূন্যের নিচে নেমে গিয়েছিল, তখন আমি US অয়েল ট্রেড করছিলাম। অবস্থানটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, আর আমি এতটাই হতাশ হয়ে পড়েছিলাম যে মার্কেটে আরও বেশি মূলধন বিনিয়োগ করেছিলাম। এটা ছিল আবেগের প্রতিক্রিয়া।
একেকটা ট্রেড থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জনের ভাবনাটাও আমাকে ভীষণভাবে আচ্ছন্ন করে রাখত। আজ আমি অনেক বেশি শান্ত। লোকসান হওয়ার মানে এই নয় যে আমি ব্যর্থ। আজ যদি আমার লোকসান হয়, তাতে কোনো সমস্যা নেই। আগামীকাল নতুন আরেকটি দিন।
এখন মার্কেট পর্যবেক্ষণের চেয়ে প্রস্তুতিতেই আমার অনেক বেশি সময় ব্যয় হয়। কোনো সেটআপের পেছনে ছোটার বদলে মার্কেট আমার কাঙ্ক্ষিত স্তরে পৌঁছানো পর্যন্ত আমি অপেক্ষা করি। এমনকি আমার এখন আর প্রতিদিন ট্রেড করারও প্রয়োজন হয় না। কখনও কখনও আমি সপ্তাহে মাত্র একবার বা দুইবার ট্রেড করি।

স্মার্ট ট্রেডিং শুরু হয় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে
অনন্য প্রাইস গ্যাপ সুরক্ষা এবং মার্কেট ভোলাটিলিটির অ্যালার্টের মাধ্যমে আপনার ট্রেডগুলিকে সুরক্ষিত রাখুন।
মার্কেটে প্রবেশ করার পর আপনি কীভাবে একটি ট্রেড পরিচালনা করেন?
একটা কাজ আমি ইচ্ছা করেই না করার চেষ্টা করি, তা হলো একদৃষ্টিতে চার্টের দিকে তাকিয়ে থাকা। ট্রেড খোলার পরপরই আমি আমার স্টপ লস এবং টেক প্রফিট সেট করি। আমি মার্কেটের প্রতিটি পরিবর্তনে আবেগপ্রবণ হয়ে অবস্থানে বারবার হস্তক্ষেপ করতে চাই না।
ট্রেডটি যদি যথেষ্ট পরিমাণে আমার অনুকূলে যায়, তবে একপর্যায়ে আমি স্টপ লসকে ব্রেক-ইভেনে সরিয়ে নিতে পারি বা আংশিক মুনাফা তুলে নিতে পারি। লক্ষ্য হলো সাথে সাথেই সবকিছু পরিবর্তন করতে শুরু না করা।
প্রস্তুতি নেওয়ার কাজটি ট্রেডের আগেই হওয়া উচিত। একবার ট্রেডে ঢুকে গেলে, আমি প্রক্রিয়াটির উপর আস্থা রাখতে চাই।
একটি নিয়ন্ত্রিত সিদ্ধান্তকে আপনি আবেগপ্রসূত সিদ্ধান্ত থেকে কীভাবে আলাদা করেন?
আমি এমন কথা বলব না যে আমি কখনোই আবেগপ্রসূত সিদ্ধান্ত নিই না। আমিও মানুষ। এখন পার্থক্যটা হলো, কোন সিদ্ধান্তটি আবেগের বশে নেওয়া হচ্ছে তা আমি আগের চেয়ে অনেক ভালোভাবে বুঝতে পারি। যখন এমনটা ঘটে, তখন আমি সেখান থেকে সরে যাই এবং পড়তে বসি। চার্টের দিকে একটানা তাকিয়ে থাকলে আমার মনে হতে পারে যে আমাকে ট্রেড নিতেই হবে, তাই আমি কম্পিউটারের সামনে থেকে সরে যাই। আমার দায়িত্বগুলিতেও পরিবর্তন এসেছে। আমার চারটি সন্তান, দুটি অফিস এবং এমন কিছু মানুষ আছেন যারা আমার উপর নির্ভর করে। আমি এমন একজন হতে চাই যার উপর আমার পরিবার, সহকর্মী এবং বন্ধুরা ভরসা করতে পারবে।
লোকসানের বিষয়ে আপনার দর্শন কী?
পরিকল্পনা মেনে চলার পর যে লোকসান হয়, সেটা আবেগের বশে নেওয়া সিদ্ধান্তের কারণে হওয়া লোকসান থেকে আলাদা।
প্রতিটি ট্রেডের সাথেই মানসিক চাপ থাকে। যদি কোনো চাপ না থাকত, তবে আমরা রোবট হতাম। কিন্তু স্বাভাবিক চাপ এবং অতিরিক্ত লিভারেজ বা অতিরিক্ত ঝুঁকি নেওয়ার ফলে যে ভয় কাজ করে, তার মধ্যে পার্থক্য আছে।
আমার একটা সহজ নিয়ম আছে: একদিনে পরপর দুটি ট্রেডে লোকসান হলে আমি থেমে যাই। টানা লোকসানের পর আরেকটি ট্রেড নিতে আমার মধ্যে ভয় কাজ করতে পারে। ঠিক তখনই পদ্ধতির পাশাপাশি নিজের মানসিকতার দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন হয়।
আপনার ট্রেডিংয়ে কমিউনিটি কী ধরনের ভূমিকা পালন করে?
আমি নিয়মিত অন্যান্য ট্রেডার এবং আমার টিমের সদস্যদের সাথে দেখা করার চেষ্টা করি। এমনকি আমাদের লোকসান হলেও, কী ঘটেছিল তা নিয়ে আমরা একসাথে আলোচনা করতে পারি। এটি আমাকে বিষয়টিকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে সাহায্য করে।
মার্কেট যখন দ্রুত ওঠানামা করে এবং আমি হতাশ বোধ করি, আমি আমার গ্রুপের সাথে কথা বলতে পারি এবং তারা কী দেখছে তা জিজ্ঞেস করতে পারি। যদি দেখা যায় সবার কাছেই পরিস্থিতি কঠিন মনে হচ্ছে, তবে তা আমাকে মার্কেট সম্পর্কে একটি ধারণা দেয়। আর যদি তারা শান্ত থাকে এবং একমাত্র আমিই হিমশিম খাই, তাহলে আমি বুঝতে পারি যে আমার নিজের মানসিকতার দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।
আপনার রুটিনে প্রযুক্তি এবং AI কীভাবে জায়গা করে নিয়েছে?
প্রযুক্তির প্রতি আমার সবসময়ই আগ্রহ ছিল, তাই আমি এমন একটি সিস্টেম তৈরি করেছি যেখানে আমার কাজের বিভিন্ন অংশ একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে। আমি ট্রেডিং সংক্রান্ত তথ্য, ইমেল, ব্যবসায়িক ডেটা, এবং কনটেন্টের পারফরম্যান্স—সব এক ড্যাশবোর্ডে নিয়ে আসি। এতে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পেতে আমাকে অসংখ্য আলাদা ট্যাব খোলার ঝামেলা পোহাতে হয় না। এছাড়া গবেষণা, কনটেন্ট এবং অন্যান্য কাজের জন্য আমি বিশেষায়িত AI এজেন্টও ব্যবহার করি। যার সাথে আমি সবচেয়ে বেশি কথা বলি, সেটি হলো আমার “কৌশলবিদ”, যা অন্যদের মধ্যে কাজ ভাগ করে দিতে সাহায্য করে।
মার্কেট অ্যানালাইসিসের ক্ষেত্রে আপনার পদ্ধতি কী?
আমি মূলত টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস করি, তবে সামগ্রিক ফান্ডামেন্টাল চিত্রের প্রতিও আমার আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে।
আমি গুরুত্বপূর্ণ স্তর, লিকুইডিটি, দামের গতিবিধি এবং দৈনিক সময়সীমায়র উপর মনোযোগ দিই। মার্কেটের পেছনে না ছুটে আমি অপেক্ষা করি যেন সেটআপটি আমার কাঙ্ক্ষিত এলাকায় নিজে থেকেই আসে।
আমি ভূ-রাজনীতি নিয়েও আগের চেয়ে বেশি পড়াশোনা শুরু করেছি। আমি বুঝতে চাই কেন কোনো ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ এবং এর প্রভাব তাৎক্ষণিক হবে নাকি দীর্ঘমেয়াদে দেখা দিতে পারে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে আমি ইকোনমিক ক্যালেন্ডার পর্যালোচনা করি এবং গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলি চিহ্নিত করে রাখি।
গোল্ড এবং US অয়েল ট্রেড করার ক্ষেত্রে এটি প্রাসঙ্গিক, কারণ বৈশ্বিক ঘটনাপ্রবাহ উভয় মার্কেটকেই প্রভাবিত করতে পারে।
ভোলাটাইল মার্কেট সম্পর্কে নতুন ট্রেডারদের কী বোঝা উচিত?
আমার পরামর্শ খুবই সহজ: আপনি যদি নতুন হন, তাহলে অত্যন্ত ভোলাটাইল পরিস্থিতিতে ট্রেড করবেন না।
নতুনরা বড় কোনো ইভেন্ট দেখলে ভাবতে পারে যে এটি মুনাফা করার বিশাল একটি সুযোগ। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে ট্রেড করার জন্য জ্ঞান, আবেগের উপর নিয়ন্ত্রণ, অভিজ্ঞতা এবং ঝুঁকি পরিচালনা প্রয়োজন।
ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে, একজন মেন্টর আমাকে বলেছিলেন যে আমি অনেক দেরিতে এসেছি এবং সব সুযোগ শেষ হয়ে গেছে। ধীরে ধীরে যত শিখেছি, ততই দেখেছি যে বিষয়টি আসলে তেমন ছিল না। একটা মুভ মিস করা মানে এই নয় যে আপনি ট্রেড করার সুযোগ হারিয়ে ফেলেছেন।
একটি নির্দিষ্ট মুভই আপনার একমাত্র সুযোগ—এমন বিশ্বাসে আপনার অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি নেওয়ার কোনো দরকার নেই।
কার্যকরীকরণ আপনার কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ কেন?
দুর্বল কার্যকরীকরণ একটি ট্রেডের আর্থিক ফলাফলের চেয়েও বেশি কিছুতে প্রভাব ফেলতে পারে। এটি আপনার মানসিকতাকেও প্রভাবিত করতে পারে।
প্রত্যাশিত মূল্য থেকে অনেক দূরে অর্ডার পূরণ হওয়াটা হতাশাজনক হতে পারে। একইভাবে, স্টপ লস লেভেলের বাইরে গিয়ে কোনো অর্ডার পূরণ হওয়ার কারণে আপনার প্রস্তুতির চেয়ে বেশি লোকসান হওয়াটাও তেমনই হতাশাজনক।
আমি পরিকল্পনা অনুযায়ী ট্রেড খুলতে চাই এবং ফলাফল—মুনাফা হোক বা লোকসান—মেনে নিতে চাই।
মার্কেট যখন ভোলাটাইল থাকে এবং মূল্য দ্রুত ওঠানামা করে, তখন কার্যকরীকরণ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
ব্রোকার নির্বাচনের সময় আপনি কোন বিষয়গুলি দেখেন?
আমি অর্থ উত্তোলন, কার্যকরীকরণ এবং স্লিপেজ সম্পর্কে জানতে চাই। এছাড়া কোনো অ্যাকাউন্ট বিবেচনা করার সময় আমি স্প্রেড এবং কমিশন—দুটিকেই একসাথে দেখি। আমি যখন শুরু করেছিলাম, তখন ভাবতাম স্প্রেড বোধহয় এক ধরনের কমিশন। আমি বিষয়টি ঠিকমতো বুঝতাম না।
টাইট স্প্রেড মানেই এই নয় যে তা সবসময় একই রকম টাইট থাকবে। পরিস্থিতি কীভাবে পরিবর্তিত হয় এবং অ্যাকাউন্টটিতে সামগ্রিকভাবে কেমন খরচ পড়ে, তা আপনাকে বুঝতে হবে।
ঝুঁকি পরিচালনা নিয়ে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি কীভাবে বদলেছে?
শুরুর দিকে, আমার অবস্থানের আকার নির্ধারণটা পদ্ধতিগত ছিল না। ঝুঁকি ঠিকমতো হিসাব না করেই আমি এক বা দুই লট কিংবা অন্য কোনো পরিমাণ বেছে নিতাম।
একপর্যায়ে, আমি ডেডিকেটেড ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা শুরু করি এবং বর্তমানে আমি Exness টার্মিনালের ঝুঁকি ক্যালকুলেটর ব্যবহার করি।
ঝুঁকি পরিচালনা শুরুই হয় আপনার স্টপ লস কোথায় আছে তা জানার মাধ্যমে। এটা জানা হয়ে গেলে, আন্দাজে বেছে নেওয়ার বদলে আপনি উপযুক্ত অবস্থানের আকার হিসাব করে বের করতে পারবেন।
Exness টিম প্রো-এর অংশ হওয়া আপনার কাছে কী অর্থ বহন করে?
আমার কাছে, অন্যান্য ট্রেডারদের সাথে কথা বলার বিষয়টি দায়িত্ববোধের সাথে জড়িত।
আমি চাই না ট্রেডিংকে শুধু হুজুগ হিসেবে বা মার্কেটের একটি মুভ থেকেই ধনী হওয়ার উপায় হিসেবে উপস্থাপন করা হোক। আবেগ, অবাস্তব প্রত্যাশা এবং দুর্বল ঝুঁকি পরিচালনা যখন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়, তখন কী ঘটে তা আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি।
আমার বার্তাটি আরও যুক্তিনির্ভর: সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিন, নিজেকে বুঝুন, ঝুঁকি পরিচালনা করুন এবং লোকসান যে ট্রেডিংয়েরই একটি অংশ—তা মেনে নিন।
ট্রেডিং আমাকে শিখিয়েছে যে শৃঙ্খলা শুধু চার্টের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকার মতো কোনো বিষয় নয়। এটি গড়ে ওঠে আপনার চিন্তাভাবনা, কাজ, পড়াশোনা, শরীরচর্চা, মানুষের সাথে মেলামেশা এবং চাপ সামলানোর ধরন থেকে।
আপনি নিজেকে যত ভালোভাবে বুঝবেন, মার্কেট যখন সেই শৃঙ্খলাকে পরীক্ষা করবে, তখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আপনি ততটাই ভালোভাবে প্রস্তুত থাকবেন।
এই নিবন্ধটি বিনিয়োগ বিষয়ক পরামর্শ হিসেবে গণ্য হবে না। অতীতের পারফরম্যান্স ভবিষ্যৎ ফলাফলের নিশ্চয়তা দেয় না। এই নিবন্ধে উপস্থাপিত তথ্য, উপাত্ত, মূল্য এবং মার্কেট পরিস্থিতি প্রকাশের তারিখ অনুযায়ী সঠিক; তবে তা সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হতে পারে। আপনার মূলধন ঝুঁকিতে রয়েছে। অনুগ্রহ করে দায়িত্বশীলভাবে ট্রেড করুন।